Digital Khichuri Challenge

চ্যালেঞ্জ-এর সার-সংক্ষেপ

কোভিড ১৯/করোনা মহামারি কেবল একটি স্বাস্থ্য সংকটই নয় বরং এটা এমনই একটি সংকট যা গড়ে উঠেছে আগে থেকেই জারি থাকা অর্থনৈতিক, সামাজিক চ্যালেঞ্জ এবং বিভাজনের উপর। এই জরুরি পরিস্থিতিতে যেখানে স্বাস্থ্য সংকট এবং অর্থনৈতিক মন্দার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বিশাল পরিমাণ সময়, অর্থ এবং মনোযোগ ব্যয় করা হচ্ছে কিন্তু সামাজিক সমস্যা যেমন বৈষম্য, ঘৃণা এবং পারিবারিক সহিংসতার মত বিষয়গুলো উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতির সাথে সাথে গুজব, ভুয়া খবর, ঘৃণামিশ্রিত বক্তব্য, সাইবার বুলিং এর মত ব্যাপারগুলো প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হিসেবে থেকেই যাচ্ছে। সৌভাগ্যবশত সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সামাজিক সংহতি এবং পারস্পারিক সহমর্মিতা প্রচার করার সুযোগও দান করছে। এবারের ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ, করোনা আক্রান্ত এবং সন্মুখযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও উস্কানি বন্ধের উপর আলোকপাত করবে। তাঁদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বৈষম্য এবং ঘৃণাচর্চা আমাদের পারস্পারিক সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা, আস্থা, বিশ্বাস ও সম্প্রীতির মতো মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। 

চ্যালেঞ্জ

সম্মুখ যোদ্ধা এবং করোনা আক্রান্তদের প্রতি বিভেদ, হেয়প্রতিপন্ন মূলক আচরণ, বিদ্বেষে বাড়ছে সামাজিক অস্থিরতা ও মানসিক দূরত্ব। আমরা কি ভাবে এই ধরনের হেয়প্রতিপন্ন মূলক আচরণ করা থেকে মানুষ কে বিরত রাখতে পারি?

আপনার আইডিয়া তে যে বৈশিষ্ট গুলো থাকতে হবে?

  • সমাধান দুটো গ্রুপকে মাথায় রেখে তৈরি করতে হবে: করোনার সন্মুখযোদ্ধা ( ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী) এবং করোনা আক্রান্ত ও তার পরিবার পরিজন যারা নানা ভাবে সমাজে হেয়-প্রতিপন্ন ও আক্রোশের শিকার হচ্ছে।
  • মানুষ অপরিচিত বিষয়েই সব সময় বেশি ভয় পেয়ে থাকে আর সেই ভয় থেকেই তার ভিতরে হিংসাত্মক প্রবৃত্তি কাজ করে। আপনার আইডিয়া বা প্রজেক্টটি মানুষের সেই অজানা ভয় কে দূর করতে সাহায্য করবে যেন তা হিংসাত্মক প্রবৃত্তিকে উস্কে না দেয়।
  • এই আইডিয়াটি যেন অফলাইন ও অনলাইনে বিভেদ, হেয় প্রতিপ্নন মুলক আচরন এবং বিদ্বেষ দূর করতে সাহায্য করে।
  • আপনার আইডিয়াটি অবশ্যই বাস্তবসন্মত হতে হবে; যা ব্যাক্তি, গোষ্ঠী কিংবা জাতীয় পর্যায়ে প্রয়োগকরা যাবে।
  • আপনার প্রজেক্ট বা আইডিয়া তে কারা, কীভাবে উপকৃত হবে এবং এর সম্ভাব্য ফলাফল স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
  • সবগুলো প্রজেক্ট কীভাবে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব রাখবে তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। সেটা হোক একটা বিজনেস প্ল্যান বা নতুন বাজার পরিস্থিতি তৈরি কিম্বা রিসার্চের মাধ্যমে খাত চিহ্নিত করে আপনি যে সার্ভিস দিতে চাচ্ছেন সেই সার্ভিসের বাজার পর্যালোচনা। এমনকি অ্যাডভোকেসির কাজ কিংবা শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ক আইডিয়াগুলোর ক্ষেত্রেও একই বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে আপনার প্রজেক্ট যত বেশি প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে, প্রজেক্টটটি সফল হওয়ার সুযোগ ততো বেশি থাকবে।

এই তালিকা দেখে আপনাদের আইডিয়াগুলোকে সীমাবদ্ধ করবেন না। আমরা চাই, আপনাদের আইডিয়াগুলো আপনাদের মতোই অনন্য ও সৃজনশীল হোক।

REGISTRATION CLOSED